করোনাভাইরাস রোগ ২০১৯ পশুপাখীবাহী ভাইরাস সার্স-কভি-২ দ্বারা সৃষ্ট শ্বাস প্রশ্বাসের সংক্রামক রোগ করোনাভাইরাস রোগ ২০১৯ বা কোভিড-১৯মানুষের একটি সংক্রামক ব্যাধি যা গুরুতর তীব্র শ্বাসযন্ত্রীয় রোগলক্ষণসমষ্টি সৃষ্টিকারী করোনাভাইরাস ২ (সার্স-কোভ-২) নামক এক ধরনের ভাইরাসের আক্রমণে হয়ে থাকে। এই ব্যাধিটি সর্বপ্রথম ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে চীনে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে ২০২০ সালের প্রারম্ভে ব্যাধিটি বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে এবং বৈশ্বিক মহামারীর রূপ ধারণ করে। ব্যাধিটির সাধারণ উপসর্গ হিসেবে জ্বর, সর্দি এবংContinue reading “করোনাভাইরাস||Corona virus||প্রতিকার||প্রতিরোধ||”
Author Archives: fahim sarker
নক্ষত্রের বিবর্তন
তারার বিবর্তন শিরোনামের বিবরণ যোগ করুন জ্যোতির্বিজ্ঞানের পরিভাষায় একটি তারা তার সমগ্র জীবনচক্রে যে সকল পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যায় তার ধারাকে তারার বিবর্তন বলা হয়। এই জীবনচক্র হতে পারে শত শত মিলিয়ন বা বিলিয়ন বর্ষ। এই পুরো সময়ে ধীরে ধীরে তারার মধ্যে বেশ কিছু পরিবর্তন দেখা যায়। তারার এই বিবর্তন একটিমাত্র তারা পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে গবেষণা করা সম্ভব নয়; কারণContinue reading “নক্ষত্রের বিবর্তন”
সকল প্রানির ফুসফুস ও এর কাজ
ফুসফুস শ্বাস-প্রশ্বাসের কাজে ব্যবহৃত মেরুদণ্ডী প্রাণীর একটি অঙ্গ ফুসফুস মেরুদণ্ডী প্রাণীর একটি অঙ্গ যা শ্বাস-প্রশ্বাসের কাজে ব্যবহৃত হয়। এই শ্বাসযন্ত্রটির প্রধান কাজ হলো বাতাস থেকে অক্সিজেনকে রক্তপ্রবাহে নেওয়া এবং রক্তপ্রবাহ হতে কার্বন ডাই-অক্সাইডকেবাতাসে নিষ্কাশন করা। এই গ্যাস আদান-প্রদান করা হয় বিশেষায়িত কোষ দ্বারা তৈরী, খুবই পাতলা দেয়াল বিশিষ্ট লক্ষাধিক বায়ু থলির দ্বারা যাকে অ্যালভীওলাই বলে। এর শ্বাসকার্য ছাড়া অন্যContinue reading “সকল প্রানির ফুসফুস ও এর কাজ”
কৃষ্ণগহ্বর
কৃষ্ণগহ্বর অকল্পনীয় মহাকর্ষের অধিকারী মহাজাগতিক বস্তু কৃষ্ণগহ্বর বা কৃষ্ণ বিবর (ব্ল্যাক হোল নামেও পরিচিত) মহাবিশ্বের অস্তিত্ব ও প্রকৃতি বিষয়ক একটি বহুল প্রচলিত ধারণা। এই ধারণা অনুযায়ী কৃষ্ণগহ্বর মহাবিশ্বের এমন একটি বস্তু যা এত ঘন সন্নিবিষ্ট বা অতি ক্ষুদ্র আয়তনে এর ভর এত বেশি যে এর মহাকর্ষীয় শক্তি কোন কিছুকেই তার ভিতর থেকে বের হতে দেয় না, এমনকি তড়িৎচুম্বকীয় বিকিরণকেও(যেমন: আলো) নয়। প্রকৃতপক্ষে এইContinue reading “কৃষ্ণগহ্বর”
মহাকর্ষীয় তরঙ্গ
মহাকর্ষীয় তরঙ্গ শিরোনামের বিবরণ যোগ করুন মহাকর্ষীয় তরঙ্গ হলো ত্বরিত বস্তু কতৃক সৃষ্ট স্থান-কালের আন্দোলনজনিত বিশেষ প্রকারের তরঙ্গ। সাধারণ আপেক্ষিকতত্ত্ব অনুযায়ী নির্বাতে এর বেগ আলোর বেগের সমান। ১৯০৫ সালে অঁরি পোয়াঁকারে এই তরঙ্গের প্রস্তাবনা দেন এবংআইনস্টাইন তার সাধারণ আপেক্ষিকতত্ত্ব থেকে এর বর্ণনা দেন। যেকোন ত্বরিত, স্পন্দিত এবং প্রবলভাবে আন্দোলিত ভর মহাকর্ষীয় তরঙ্গ সৃষ্টি করতে সক্ষম। মহাকর্ষীয় তরঙ্গ মহাকর্ষীয় বিকিরণের মাধ্যমে শক্তি পরিবহনContinue reading “মহাকর্ষীয় তরঙ্গ”
জোয়ার ভাটা
জোয়ার-ভাটা সমুদ্রপৃষ্ঠের পানির উপর মহাকর্ষীয় শক্তির ক্রিয়া পৃথিবীর বাইরের মহাকর্ষীয় শক্তির (বিশেষ করেচাঁদের) প্রভাবে সমুদ্রপৃষ্ঠের পানি নিয়মিত বিরতিতে ফুলে ওঠাকে জোয়ার ও নেমে যাওয়ার ঘটনাকে ভাঁটা (একত্রে জোয়ার-ভাটা) বলা হয়। জোয়ার-ভাটার ফলে সমুদ্রে যে তরঙ্গের সৃষ্টি হয়, তাকে জোয়ার তরঙ্গ (tidal waves) বলে। জোয়ারের পানি উপকূলের দিকে অগ্রসর হলে পানি সমতলের যে উত্থান ঘটে, তাকে জোয়ারের পানির সর্বোচ্চ সীমাContinue reading “জোয়ার ভাটা”
Star cluster
তারা গুচ্ছ শিরোনামের বিবরণ যোগ করুন স্টার ক্লাস্টারগুলিকে (কখনও কখনও স্টার মেঘের মতো ভুল বলা হয়), মাঝে মাঝে কেবল সংক্ষেপে “ক্লাস্টার” বলা হয়, যেগুলি তারার বড় দল। তারা গুচ্ছ দুই ধরনের বৈশিষ্ট যুক্ত হতে পারে: গ্লবুলার ক্লাস্টারগুলি শত শত বা হাজার হাজার বছরের পুরনো তারা এবং এই তারাগুলি মহাকর্ষীয়ভাবে আবদ্ধ, যখন মুক্ত তারা গুচ্ছগুলি বা তারা গুচ্ছের দলয়ে তারার সংখ্যা সাধারণত কয়েকContinue reading “Star cluster”
পৃথিবীর ইতিহাস
উৎপত্তি সৌরজগৎ সৃষ্টির মোটামুটি ১০০ মিলিয়ন বছর পর একগুচ্ছ সংঘর্ষের ফল হলো পৃথিবী। আজ থেকে ৪.৫৪ বিলিয়ন বছর আগে পৃথিবী নামের গ্রহটি আকৃতি পায়, পায় লৌহের একটি কেন্দ্র এবং একটি বায়ুমণ্ডল। সাড়ে ৪০০ কোটি বছর আগে দুটি গ্রহের তীব্র সংঘর্ষ হয়েছিল। সংঘর্ষের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে, এ সময় জুড়ে যায় গ্রহ দুটি। পৃথিবী নামক গ্রহেরContinue reading “পৃথিবীর ইতিহাস”
শুক্র গ্রহ
শুক্র গ্রহ সূর্য থেকে দূরত্বের দিক দিয়ে সৌরজগতের দ্বিতীয় গ্রহ শুক্র গ্রহ হল সূর্য থেকে দূরত্বের দিক দিয়েসৌরজগতের দ্বিতীয় গ্রহ। এই পার্থিব গ্রহটিকে অনেক সময় পৃথিবীর “বোন গ্রহ” বলে আখ্যায়িত করা হয়, কারণ পৃথিবী এবং শুক্রের মধ্যে গাঠনিক উপাদান এবং আচার-আচরণে বড় রকমের মিল রয়েছে। এই গ্রহটি যখন সকাল বেলায় পৃথিবীর আকাশে উদিত হয় তখন একে লুসিফার বা শয়তান নামেও ডাকা হয়ে থাকে। বাংলায় সকালের আকাশে একে শুকতারাএবং সন্ধ্যারContinue reading “শুক্র গ্রহ”